Logo
Logo

খেলা

রহস্যময় ‘নো বলে’ স্পট ফিক্সিংয়ের গন্ধ

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ নভেম্বর ২০২৪, ১৩:০৩

রহস্যময় ‘নো বলে’ স্পট ফিক্সিংয়ের গন্ধ

ছবি : সংগৃহীত

ক্রিকেট ম্যাচে নো বল একটি স্বাভাবিক ঘটনা। ফাস্ট বোলাররা রানআপ এবং ডেলিভারিতে মাঝে মাঝে ভুলে গিয়ে নো বল করে ফেলেন। তবে আবুধাবি টি-টেন লিগে স্যাম্প আর্মি দলের ফাস্ট বোলার হযরত বিলালের নো বল ছিল অস্বাভাবিক, যা দর্শকদের চোখ কপালে উঠাতে বাধ্য করেছে।

প্রশ্ন উঠছে, একজন বোলার কত বেশি উচ্চতায় নো বল করতে পারেন? এক ইঞ্চি? এক ফুট? কিন্তু বিলালের নো বল ছিল এক মিটার বা তার চেয়েও বেশি। এধরনের বিশাল নো বল স্বাভাবিক নয় এটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে এটি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছে।

ধারাভাষ্য কক্ষে তখন শোনা যায়, "এটি কোনো ভালো ইঙ্গিত নয়। তুমি কতগুলো ডেলিভারি করেছ এটা কোন বিষয় না, তুমি এত বড় নো বল ইচ্ছাকৃতভাবে করতে পারো না"

এর মানে, বিলাল ইচ্ছাকৃতভাবে নো বল করেছেন এটা বলায় যায়। এর পেছনে আরও একটি দিক রয়েছে, তা হলো আবু ধাবি টি-টেন লিগের ইতিহাস। গত কয়েক বছরে এই লিগে একাধিক ফিক্সিং কাণ্ড ঘটেছে, যার মধ্যে বাংলাদেশের নাসির হোসেনসহ একাধিক ক্রিকেটার জড়িতছিলেন।

ফিক্সিংয়ের থাবা যেন ক্রিকেটের পেছনে দীর্ঘ সময় ধরে লুকিয়ে আছে। হ্যান্সি ক্রনিয়ে থেকে ২০১০ সালের কুখ্যাত আমির-আসিফ, কেউই এ থেকে মুক্তি পাননি। বিশ্বজুড়ে আইপিএল, আবু ধাবি টি-টেনসহ অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো এখন ফিক্সিংয়ের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে অর্থ উপার্জন, আর এর জন্য অনেকেই সহজ পথ হিসেবে ম্যাচ পাতানোর দিকে ঝুঁকছেন।

এখানে আইসিসির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু শাস্তি দিয়ে সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আসরগুলো নিয়মিতভাবে বেড়ে চলেছে, আর আইসিসির উচিত এসব লিগের ওপর পর্যাপ্ত নজরদারি রাখা। অনুমোদন দেয়া হলে, তার সঙ্গেই সঠিক মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে, নাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।

এনজে/এমআই

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর