জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত সাবেক ৯ মন্ত্রীসহ ১৩ জনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। সোমবার (১৮ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে তোলা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
এসময় ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে বেশিভাগ আসামিদের মুখই ছিল হাসিমাখা। তবে ব্যতিক্রমী অবয়বে দেখা গেছে সাবেক ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে। উপস্থিতদের উদ্দেশে হাতজোড় করে দোয়া প্রার্থনা করেছেন তিনি। পলকের এই পলকহীন দৃশ্য মুহূর্তেই ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, ফারুক খান, ডা. দীপু মনি, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তৌফিক-ই-ইলাহী, শাজাহান খান, সাবেক প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, গোলাম দস্তগীর গাজী, আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম।
প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার ৩৯ বছর পর ২০১০ সালে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ওই বছরের ২৫ মার্চ ট্রাইব্যুনালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ২০১৫ সালের পর থেকে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অনেকটা গতি হারিয়ে ফেলে। তবে হাসিনা সরকার পতনের পর ফের ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম নতুনভাবে শুরু হয়েছে।
ডিআর/এটিআর