-6745c01662856.jpg)
ছবি : সংগৃহীত
জেদ্দার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত প্রাচীন এলাকা আল-বালাদের সুগন্ধির সুনাম বিশ্বজুড়ে। এই এলাকাটিতে ছোট্ট একটি দোকানও রয়েছে, সেটিও কয়েক দশক ধরে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
দোকানটিতে বহুমূল্য পাথর, তাসবিহ এবং এ জাতীয় আরও নানা জিনিসের সমাহার। ৩৭ বছর আগে ‘শারেয়ে কাবেলে’ এটির সূচনা হয়। তবে এটির সুখ্যাতির কারণ- এখানে বিশ্বের নামিদামি অনেক মানুষের স্মৃতি রয়েছে।
দোকানে থাকা বয়স্ক এক ব্যক্তি জানান, অনেক বড় বড় তারকা ছোট্ট এই দোকানটি থেকে নানা জিনিস কিনেছেন। বিখ্যাত আরব গায়ক তালাল মাদাহ তার ম্যানেজার খালেদকে নিয়ে প্রায়ই এখানে আসতেন এবং তাসবিহ ও নিজের পছন্দের আকিকুল ইয়ামানির আংটি বানিয়ে নিতেন।
ওই ব্যক্তিটি আরও বলেন, যুবরাজ সৌদ বিন আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, যুবরাজ তুর্কি বিন আব্দুল্লাহ আল ফয়সালসহ বাদশাহ ফয়সালের পরিবারের আরও অনেকে দোকানটিতে এসেছেন।
ফুটবল তারকা আহমাদ জামিল ও তাইসিরুল জাসিমও এখানে একাধিকবার এসেছেন বলে জানান ওই বৃদ্ধ। মনকাড়া হাসি দিয়ে স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ফুটবল সুপারস্টার ম্যারাডোনা যখন আল আহলি ফুটবল ক্লাব পরিদর্শনে আসেন, তখন ‘শারেয়ে কাবেলে’ পৌঁছলে প্রচণ্ড ভিড় হয়। এ সময় তিনি আমাদের দোকানে প্রবেশ করে এখানকার জিনিসপত্র দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেন। তবে সেদিন তিনি কিছু কেনেননি।
এই দোকানটি আজও তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। সৌদি আরবের পাশাপাশি বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে এখানে আংটি তৈরির অর্ডার আসে। ইউরোপ-আমেরিকার ধনাঢ্য ব্যক্তিরা এখানকার আংটি খুব পছন্দ করেন। দোকানটিতে তৈরি আকিকুল ইয়ামানি আংটি ২৫০ রিয়াল পর্যন্ত বিক্রি হয়। আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত ইথিওপিয়ান পাথর ‘ওপাল’র দাম ৫০০ রিয়াল এবং হিরের পাথরে তৈরি প্রতিটি আংটি এই দোকানে ৯ হাজার রিয়ালে পর্যন্ত বিক্রি হয়।
সূত্র : আখবার টোয়েন্টিফোর