Logo
Logo

সারাদেশ

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ

শেরপুরে শত্রুতার জেরে কলেজছাত্রকে মামলা দিয়ে হয়রানি

Icon

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ০৯:২৭

শেরপুরে শত্রুতার জেরে কলেজছাত্রকে মামলা দিয়ে হয়রানি

শেরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে কলেজছাত্রকে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। 

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সাতপাকিয়া এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করে ভুক্তভোগী কলেজছাত্র সাইফুল ইসলামের পরিবার। সাইফুল ওই গ্রামের মো. মানিক মিয়ার ছেলে।

গত ৪ আগস্টের ঘটনার সময় অন্যত্র থাকার পরও মামলায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয় অভিযোগ করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

সংবাদ সম্মেলনে সাইফুলের বাবা মো. মানিক মিয়া জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে গত ৪ আগস্টের ঘটনা উল্লেখ করে সাইফুলকে ১ নম্বর আসামি করে তার পরিবারের ৫ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন একই গ্রামের আবুল কালাম আজাদ। 

মামলায় সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ কমলা বেগমের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার কথা উল্লেখ করা হলেও প্রকৃতপক্ষে সাইফুল ওই সময় ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। গত ৪ আগস্ট সকাল থেকেই তিনি বাড়ির কাজের জন্য ইট আনতে পার্শ্ববর্তী জামালপুর জেলার একটি ইটভাটায় অবস্থান করছিলেন। 

যা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে যাচাই করলেই বুঝা যাবে বলে জানান সাইফুলের বাবা। এ ছাড়া সাইফুল শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করলেও তার বয়স দেখানো হয়েছে ৩০, যা সঠিক নয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় রাজমিস্ত্রি ইউসূফ আলী বলেন, ‘দুইপক্ষের মধ্যে গণ্ডগোল হয়েছে। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যেই মামলা চলমান রয়েছে। তবে ঘটনার সময় সাইফুলকে আমি ভ্যানযোগে ইট আনতে জামালপুর পাঠিয়েছিলাম। সে ঘটনার সময় এখানে ছিল না।’

ভ্যানচালক বাবুল মিয়া বলেন, ‘আমি সাইফুলকে সাথে নিয়ে ইট কিনতে জামালপুরে ইটের ভাটায় গিয়েছিলাম। পরে আমরা যখন ইট নিয়ে রাস্তায়, তখন ফোনে শুনি বাড়িতে মারামারি হইছে। আর সাইফুল  তখন আর বাড়িতেও ফিরেনি। সে আমার সাথেই ছিল।’

একই কথা জানান স্থানীয় বাসিন্দা প্রত্যক্ষদর্শী লিটন মিয়া, প্রত্যক্ষদর্শী মামুন মিয়া, আয়নাল মিয়াসহ বেশ কয়েকজন। তারা বলেন, ‘সাইফুল মারামারির সময় এখানে ছিল না। হালকা পাতলা মারামারি হইছে এখানে। তবে সাইফুলের না থাকার পরও নামটা দিছে।’

শাহরিয়ার শাকির/এমজে

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর