Logo
Logo

রাজধানী

ব্যবসার টাকা জোগাড় করতেই ধানমন্ডিতে চিকিৎসককে খুন

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৪৪

ব্যবসার টাকা জোগাড় করতেই ধানমন্ডিতে চিকিৎসককে খুন

রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় ডা. এ কে এম আব্দুর রশিদকে হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। ব্যবসার টাকা জোগাড় করতেই বাসায় ঢুকে তাকে খুন করেন তিন রেস্টুরেন্ট শ্রমিক। 

শনিবার (৩০ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির (রমনা বিভাগ) উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম।

তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) খুলনার ডুমুরিয়া এলাকা থেকে নাইম ও রিফাত নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে শাওন নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ডা. এ কে এম আব্দুর রশিদ হত্যার রহস্য। 

রিফাত ও নাইম নামে দুই রেস্টুরেন্ট শ্রমিক থাকতেন ডা. রশিদের বাসায়। বাসাভাড়া নিয়ে ডা. রশিদের স্ত্রী ডা. সুফিয়ার সঙ্গে তাদের ঝগড়া হতো। ওই দুই যুবক মাঝে মাঝে ভাড়া দিতে পারতেন না। এ নিয়ে তাদের মধ্যে রাগ-ক্ষোভ ছিল। রাত ১০টার পর বাসায় ঢোকা নিয়েও ঝামেলা হতো। 

তিনি আরও জানান, ডা. এ কে এম আব্দুর রশিদ ব্রিটিশ নাগরিক ছিলেন। বাংলাদেশে তার অনেক সম্পদ রয়েছে। তার ছেলেমেয়েও ব্রিটিশ নাগরিক। তারা ভাড়াবাবদ অনেক টাকা পান। এসব জানা ছিল আসামিদের। এর থেকেই লোভ জন্মে। নাইম আর রিফাত তাদের আরেক সহকর্মী রেস্টুরেন্ট শ্রমিক শাওনকে নিয়ে ব্যবসার পরিকল্পনা করে। রেস্টুরেন্টে কাজ করে তাদের চলতে সমস্যা হচ্ছিল। ফলে তারা ব্যবসায়ীর কাছ থেকে রাতে টাকা নেওয়ার জন্য ঢোকে। 

ওইদিন (১৪ নভেম্বর) রাত দুইটার দিকে বাসায় ঢোকেন নাইম, রিফাত আর শাওন। তখন ডা. রশিদ তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার জন্য ওঠেন। ওই তিনজনকে দেখে তিনি চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ধরে ফেলে ওই তিনজন। এ সময় রশিদের স্ত্রী সুফিয়া বেগমে দৌড়ে আসেন। তখন তাকে একজন ধরে আর তার স্বামীকে দুইজন ধরে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে নাইম ডা. রশিদকে কয়েক জায়গায় এলোপাতাড়ি ছুড়িকাঘাত করে। এ সময় তার স্ত্রী জোরে চিল্লাপাল্লা শুরু করলে লোকজন জড়ো হবে ভেবে তারা কোনোকিছু না করেই পালিয়ে যায়। পরে ডা. রশিদ মারা যান। এলোপাতাড়িভাবে বেশ কয়েক জায়গায় আঘাতের দাগ ছিল বলে জানায় ডিএমপি।

ডিএমপির (রমনা বিভাগ) উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, ‘আজ (শনিবার) তিন আসামিকে আদালতে পাঠানো হবে।’ 

এমজে

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর