রাজধানীর ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে পুরান ঢাকার এই হাসপাতালে হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ডেমরার ডা. মাহাবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থী অভিজিতের (১৮) মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই জড়ো হয় শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হাসপাতালে হামলা চালায় তারা।এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের ডিএমআরসির এক শিক্ষার্থীকে তারা ভুল চিকিৎসা দিয়ে মেরে ফেলেছে। এখন তারা ১০ হাজার টাকা দিয়ে আমাদের শান্ত করতে চায়। একটা জীবনের মূল্য কী ১০ হাজার টাকা হতে পারে? এটা সবার কাছে জানতে চাই। জীবনের মূল্য কি দশ হাজার টাকা? আমরা এর প্রতিবাদে ঢাকার সব কলেজ আন্দোলনে নামি। আমরা সবাই মিলে এখানে এসেছি, এই হাসপাতালকে বয়কট করতে হবে।
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা প্রতিবাদ জানাতে এখানে এসেছিলাম। তারা ছাত্রদলের বেশে আমাদের উপর হামলা চালিয়েছে। আমরা সুষ্ঠুভাবে আন্দোলন করছিলাম, তারা এসে অশান্তি সৃষ্টি করেছে। ওরা আমাদের উপর বোম মারছে। আমরা ছাত্র, আমাদের উপর ওরা কেন বোম মারবে?’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছিলাম, তখন সোহরাওয়ার্দী ও নজরুল কলেজের কিছু ছাত্রদল সন্ত্রাসী আমাদের উপর হামলা চালায়। ধাওয়া করে। আমাদের শত শত ভাই আহত হয়েছেন। হেলমেট পরে ছাত্রদলের কিছু কর্মী আমাদের উপর অতর্কিত হামলা করে। পরে পুলিশ তাদের শেল্টার দিয়ে নিয়ে যায় ‘
ছাত্রদলকে সরাতে ১৫ দিন লাগবে জানিয়ে এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ছাত্রলীগ আমাদের কথা বলতে দেয়নি, তোমরা ছাত্রদলও কথা বলতে পারোনি। এখন আমরা ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আমরাও সুযোগ পেয়েছি কথা বলার, তোমরাও পেয়েছ। বেশি বাড়াবাড়ি করবা না। বাড়াবাড়ির ফল ভালো হবে না। ছাত্রলীগকে সরাতে ১ মাস লেগেছে। তোমাদের সরাতে ১৫ দিন লাগবে।‘
বর্তমানে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা কাজ করছে।
ওএফ/এমজে/এনআর/