বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলা, জবি প্রশাসনের সংযমের নির্দেশনা

জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ নভেম্বর ২০২৪, ২০:২০
-674487c7268cf.jpg)
ছবি : সংগৃহীত
বিগত কয়েক দিনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘটিত সংঘর্ষ এবং উস্কানিমূলক পরিস্থিতিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের সংযম প্রদর্শনের নির্দেশনা দিয়েছে প্রশাসন।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিগত কয়েক দিনে আশেপাশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সংঘটিত সংঘর্ষ এবং উস্কানিমূলক পরিস্থিতিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদেরকে না জড়িয়ে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। স্মরণে রাখা প্রয়োজন, ‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা কঠিন।’ এমতাবস্থায় যেকোনো ধরনের পরিস্থিতিতে সংযম প্রদর্শনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এর আগে ভুল চিকিৎসায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থী অভিজিৎ হালদারের মৃত্যুর বিচারের দাবিতে রোববার (২৪ নভেম্বর) ঢাকার ৩৫টি কলেজের শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ, কবি নজরুল কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
ডা. মাহাবুর রহমান মোল্লা কলেজের শিক্ষার্থী অভিজিৎ হালদার (১৮) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৬ তারিখ ভর্তি ও ১৮ তারিখ মৃত্যুবরণ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২০ ও ২১ নভেম্বর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল অবরোধ করেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, এ দুই দিন ন্যাশনাল মেডিকেলের পক্ষ নিয়ে কবি নজরুল ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ উঠেছে। এ হামলাকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে ‘ইউনাইটেড কলেজ অব বাংলাদেশ’ নামে একটি গ্রুপে মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজসহ অন্য কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানাতে থাকেন এবং অভিজিতের মৃত্যুর ঘটনায় বিচারের দাবিতে আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে রোববার সোহরাওয়ার্দী ও কবি নজরুল কলেজে হামলা ও ভাঙচুর করেন।
জেএন/বিএইচ